লিখতে বসিয়াছি - পঞ্চম বসা
লিখতে বসিয়াছি
- নাজিমুল ইসলাম
- নাজিমুল ইসলাম
বসিয়াছি আবারো, লিখিবার জন্য। কিন্তু কি লিখিবো, তাহা আমি জানিনা। আমার অবস্থা এখন আর ঘটা করিয়া বলিতে হয় না।
আমি লিখিতে বসিলেই সকলে বুঝিয়া যায়, তখন আমার সবকিছু তালগোল পাকাইয়া গিয়াছে। ঐ বালকের ভাবনাগুলো যেরুপে তালেগোল পাকাইয়া যায়।
আমি লিখিতে বসিলেই সকলে বুঝিয়া যায়, তখন আমার সবকিছু তালগোল পাকাইয়া গিয়াছে। ঐ বালকের ভাবনাগুলো যেরুপে তালেগোল পাকাইয়া যায়।
বালক,বালিকারে লইয়া ভাবিতে ভাবিতে বালিকার মস্তিষ্ক নিজের মস্তিষ্কের স্থানে কল্পিত প্রতিস্থাপন করিয়া কল্পনা করিতে থাকে।
ভাবিতে থাকে যে, বালক বালিকারে নিয়া কি ভাবিতেছে।
নির্বোধ বালক কখনো কি বুঝিতে পারিবে নারীর মনে কি জটিল ভাবনা চলিতেছে । তবুও সে কল্পনা করিতে থাকে তাহার মনের মতো করিয়া।কল্পনায় দেখিতে পায় বালিকা ক্ষণে ক্ষণে তাহারে ভাবিতেছে। বালক মনে করে বালিকা সর্বক্ষণ তাহারেই দেখিতে পায়। শয়নে স্বপনে তাহারেই ভাবে। তাহার ভাবনার সহিত বালিকার ভাবনার মিলন ঘটায়। বালক আনন্দ পায়। বালক সুখে নিদ্রা যায়।
ভাবিতে থাকে যে, বালক বালিকারে নিয়া কি ভাবিতেছে।
নির্বোধ বালক কখনো কি বুঝিতে পারিবে নারীর মনে কি জটিল ভাবনা চলিতেছে । তবুও সে কল্পনা করিতে থাকে তাহার মনের মতো করিয়া।কল্পনায় দেখিতে পায় বালিকা ক্ষণে ক্ষণে তাহারে ভাবিতেছে। বালক মনে করে বালিকা সর্বক্ষণ তাহারেই দেখিতে পায়। শয়নে স্বপনে তাহারেই ভাবে। তাহার ভাবনার সহিত বালিকার ভাবনার মিলন ঘটায়। বালক আনন্দ পায়। বালক সুখে নিদ্রা যায়।
কিশোরী বালিকার নির্ভেজাল ভাবনা কি হইতে পারে বালক তাহা কখনওই জানিতে পারিবে না। বালক যখন আকাশের মেঘমালায় বালিকার উপমা খুজিতে ব্যাস্ত,বালিকা তখন সেই আকাশে মেঘের ভেলায় বালকের সহিত ভাসিয়া বেড়াইবার স্বপ্ন দেখে,। বালক যখন বালিকার হাত ধরিয়া বসিয়া তাহার কাজলাঙ্কিত নয়নের মাঝে হারাইয়া যাইতে চায় , বালিকা তখন সেই হাত ধরিয়া বহুদুর পাড়ি দিবার স্বপ্ন দেখিতে থাকে। কুয়াশাজড়ানো কোনো এক সকালে একই চাদরের উষ্ণতায় হাতের শূন্যস্থান পূরণ করিয়া পথচলার স্বপ্ন দেখিতে থাকে কিংবা কোনো এক পড়ন্ত বিকেলে পাশাপাশি পথচলার মাঝে যখন দিনের শেষ সোনালী আলো বালিকারে আলিঙ্গন করিবে, তখন বালক থমকাইয়া দাঁড়াইয়া বালিকার মনোহারিণী রুপের দিকে কৈতুহলী দৃষ্টি দিবে। সেই দৃষ্টিতে বালিকা লজ্জা পাইয়া ভূমিতে তাকিয়া থাকিবে। নির্বোধ বালক এসব ভাবিতে পারে না।
বালিকা তাহার মনের রাজ্য গড়ে।সেই রাজ্যতে কোনো পাইক-পেয়াদা নাই, হাতি-ঘোড়া নাই,নাই কোনো সেনাপতি নাই কোনো মন্ত্রী। বালিকার রাজ্য জুরে থাকে হাজারো পুষ্পশোভিত কাননমালা।
তাহাদের রাজবাড়ি হয় ছোট এক কুটির। দুরন্ত অবুঝ মনে ছুটিয়া কিংবা কিচিরমিচির করিয়া উড়িয়া বেড়াইতে থাকে সেই রাজ্যর প্রজারা। রানী বালিকা তার বালক রাজাকে সাথে করিয়া সেই রাজ্যে হারাইতে থাকে। নির্বোধ বালক, বালিকার এই ভাবনা কখনওই জানিতে পারিবে না। নির্বোধ বালক তাহার মনের কথাই বালিকারে জানাইতে পারিবে না। প্রকাশ করিতে গেলে আমার মতোই তাহার সবকিছু তালগোল পাকাইয়া যাইতো। কিন্তু বালিকা বালকেরে পড়িতে পারিতো,তাই তাহার নিষ্টুরতা দিয়া বালকেরে পরখ করিয়া দেখিতো। বালিকা রাগ দেখায়,অভিমানের চাদরে নিজেরে জড়ায় ,অন্যদিকে বালক সারাক্ষণ হারানোর ভয়ে দিশেহারা হইয়া যায়।বালকের বিচলিত অবস্থা দেখিয়া বালিকা আনন্দ পাইতে থাকে। বালিকা, বালকের প্রেমে পড়িতে থাকে,বালকের প্রতি তাহার ভালবাসা চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়িতে থাকে।
বালিকা নির্বোধ বালকরে আজীবন তাহার মায়ার জড়াইয়া রাখিতে চায়।
তাহাদের রাজবাড়ি হয় ছোট এক কুটির। দুরন্ত অবুঝ মনে ছুটিয়া কিংবা কিচিরমিচির করিয়া উড়িয়া বেড়াইতে থাকে সেই রাজ্যর প্রজারা। রানী বালিকা তার বালক রাজাকে সাথে করিয়া সেই রাজ্যে হারাইতে থাকে। নির্বোধ বালক, বালিকার এই ভাবনা কখনওই জানিতে পারিবে না। নির্বোধ বালক তাহার মনের কথাই বালিকারে জানাইতে পারিবে না। প্রকাশ করিতে গেলে আমার মতোই তাহার সবকিছু তালগোল পাকাইয়া যাইতো। কিন্তু বালিকা বালকেরে পড়িতে পারিতো,তাই তাহার নিষ্টুরতা দিয়া বালকেরে পরখ করিয়া দেখিতো। বালিকা রাগ দেখায়,অভিমানের চাদরে নিজেরে জড়ায় ,অন্যদিকে বালক সারাক্ষণ হারানোর ভয়ে দিশেহারা হইয়া যায়।বালকের বিচলিত অবস্থা দেখিয়া বালিকা আনন্দ পাইতে থাকে। বালিকা, বালকের প্রেমে পড়িতে থাকে,বালকের প্রতি তাহার ভালবাসা চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়িতে থাকে।
বালিকা নির্বোধ বালকরে আজীবন তাহার মায়ার জড়াইয়া রাখিতে চায়।
তেমনি আমার ভাবনার শব্দগুলি আমার তালগোল অবস্থা দেখিয়া আমার মায়ার জড়াইয়া যায় কিন্তু আমারে ধরা দিতে চাইতেছে না,আবার ছাড়িয়াও যাইতে পারিতেছে না। বালকের মতো আমি দিশেহারা হই উদাস হইয়া রই। আর বালিকার মতো সে আমারে বারবার তাহার মায়ার টানে ফিরিয়া আনে। একদিন আমার জীবনেও বালিকা আসিবে, আমিও সেই নির্বোধ বালকের ন্যায় কার্যকলাপ করিবো। সেইদিনে কি আমার ভাবনাগুলি আমারে তাহার কাছে টানিবে? নাকি অভিমান করিয়া দূরে চলিয়া যাইবে?
নাকি ভাবনাগুলো বালিকার রুপ ধরিয়া আমারে তাহার মায়ায় বাধিয়া রাখিবে?
নাকি ভাবনাগুলো বালিকার রুপ ধরিয়া আমারে তাহার মায়ায় বাধিয়া রাখিবে?
Comments