Posts

তোকে চাই

Image
আমার তোকে চাই; _______একদিনের জন্য নয় _______চিরদিনের জন্য চাই, _______শুধু এককাপ চায়ে নয় _______একথালা ভাতেও চাই। | | | | আমার তোকে চাই; _______শুধু চাদের আলোয় বসে থাকার জন্য নয় _______হাজারো তারার ভীরে হারাবার জন্য চাই, _______মাঝে মাঝে হাত ধরার জন্য নয়, _______প্রতিদিন বুকে জড়িয়ে রাখতে চাই। | | | | আমার তোকে চাই; _______ভালবাসার জন্য তোর মন চাই _______প্রেমে পরার জন্য ঐ চোখ চাই, _______তোর দুষ্টুমির সাথী হতে চাই _______তোর মিষ্টি শাসন চাই। | | | | আমার তোকে চাই; _______তোর রাগগুলো অভিমান  বানাতে চাই _______তোর হাতের শূণ্যস্থান পূরণ করতে চাই, _______তোকে চাই! চাই!! চাই!!! চাই!!! _______তোর হাত ধরে বুড়ো হতে চাই। ডাস্টবিনের কবি Friday,May 20 2016

লিখিতে বসিয়াছি - ষষ্ঠধাপে বসা

লিখিতে বসিয়াছি                    - নাজিমুল ইসলাম অনেকদিন বাদে আবারো বসিয়াছি লিখিতে। প্রতিবার লিখিতে বসিয়া,কি লিখিব তাহা খুঁজিয়া পাইনে।এইবারই বা তাহার ব্যতিক্রম হইবে কেন? আমি লিখিতে বসিয়াছি আর লিখাগুলো তাহাকে ছাড়িয়া যাইতে বলে। তখন বসিয়া ভাবিতেছি আমার আর এই লিখার সম্পর্কখানি অনেকটা সেই বালকের প্রেমের বিরহ অধ্যায় এর মতন। কোন এক অজ্ঞাত কারণে লিখাগুলো আমার সাথে সম্পর্ক ত্যাগ করিতে চায়। সেই বালকের বালিকার ন্যায়। বালক তাহায় প্রেমকে যখন পূর্ণরুপে উপভোগ করিতেছে তখন তাহাতে আসিয়াছে বিপত্তি। যেই বালিকার অবস্থান বালকের সর্বক্ষেত্রে, সেই বালিকাই বিপত্তি ঘটিয়াছে। তাহাকে নেশায় ফেলিয়া চলিয়া যাইতেছে। যেই বালক বালিকারে লইয়া দীর্ঘপথ পাড়ি দিবার তরে নিজেকে প্রস্তুত করিতেছে, সেই বালকের বালিকাই পথের মাঝে ফিরিয়া চলিতে চায়। বালক হতাশ হইয়া যায়। তাহার মনে হইতে থাকে, কেহ তাহাকে গভীর সমুদ্রে নিয়া তাহার তরী কাড়িয়া লইল। বালক তাহার ও তাহার বালিকার প্রণয়, এক ছোট তরীর সহিত তুলনা করিতে থাকে। যাহার হালখানি বালকের হাতে আর পাল থাকে বালিকার নিয়ন্ত্রণে। বালক তাহার তরীর ...

লিখতে বসিয়াছি - পঞ্চম বসা

লিখতে বসিয়াছি                 - নাজিমুল ইসলাম বসিয়াছি আবারো, লিখিবার জন্য। কিন্তু কি লিখিবো, তাহা আমি জানিনা। আমার অবস্থা এখন আর ঘটা করিয়া বলিতে হয় না। আমি লিখিতে বসিলেই সকলে বুঝিয়া যায়, তখন আমার সবকিছু তালগোল পাকাইয়া গিয়াছে। ঐ বালকের ভাবনাগুলো যেরুপে তালেগোল পাকাইয়া যায়। বালক,বালিকারে লইয়া ভাবিতে ভাবিতে বালিকার মস্তিষ্ক নিজের মস্তিষ্কের স্থানে কল্পিত প্রতিস্থাপন করিয়া কল্পনা করিতে থাকে। ভাবিতে থাকে যে, বালক বালিকারে নিয়া কি ভাবিতেছে। নির্বোধ বালক কখনো কি বুঝিতে পারিবে নারীর মনে কি জটিল ভাবনা চলিতেছে । তবুও সে কল্পনা করিতে থাকে তাহার মনের মতো করিয়া।কল্পনায় দেখিতে পায় বালিকা ক্ষণে ক্ষণে তাহারে ভাবিতেছে। বালক মনে করে বালিকা সর্বক্ষণ তাহারেই দেখিতে পায়। শয়নে স্বপনে তাহারেই ভাবে। তাহার ভাবনার সহিত বালিকার ভাবনার মিলন ঘটায়। বালক আনন্দ পায়। বালক সুখে নিদ্রা যায়। কিশোরী বালিকার নির্ভেজাল ভাবনা কি হইতে পারে বালক তাহা কখনওই জানিতে পারিবে না। বালক যখন আকাশের মেঘমালায় বালিকার উপমা খুজিতে ব্যাস্ত,বালিকা তখন সেই আকাশে মেঘের ভেলায় বালকের সহিত...

লিখিতে বসিয়াছি - চতুর্থ বসা

লিখিতে বসিয়াছি - নাজিমুল ইসলাম আবারো আসিয়াছি লিখিবার দুঃসাহস লইয়া। আবারো সেই কবিতা লিখিবার দুঃসাহস। আবারো খুজিতেছি ছন্দ,উপমা,মাত্রা,,খুজিতেছি শব্দ।কিন্তু আমি যে কবি নই,তাই কবিতাও লিখিতে পারিতেছিনা। রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া ছন্দগুলোর কতকগুলি সস্তা, কতকগুলি আমার আমার যোগ্যতার বাহিরে। লিখিতে বসিয়া ভাবিতেছি যদি সেই বালক হইতাম। সদ্য প্রেমে নিমগ্ন সেই বালক সে বালিকার পরশের আশায় কবি হইয়াছে। সেই বালক যে তাহার বালিকাকে লইয়া কবিতা বাধে।বালিকার কাজলাঙ্কিত নয়ন লইয়া কবিতা লেখে। সরু কাজল রেখার মতো হয় তার কবিতার চরণগুলি। বালিকার চোখের পাপড়ির ন্যায় ধারালো হয় তার কবিতার ছন্দ। বালিকার চোখের কোনে উজ্জ্বলিত হীরকের চূর্ণের ন্যায় জমিয়া থাকা অশ্রু হয় কবিতার উপমা। বালক কবিতা লিখিতে থাকে আর বালিকা বালকের এই কাণ্ড দেখিয়া হাসিতে থাকে। বালক সেই হাসির রহস্য বুঝিতে পারে না। সেই হাসির অর্থখানি কি হইতে পারে তা বালকের ক্ষুদ্র মস্তিষ্ক হিসাব করিতে পারে না। তাহার নিকট গণিতের ক্যালকুলাস হইতে অধিক জটিলতর মনে হইতে থাকে সেই হিসেবখানি। বালকা আবার কবিতা লেখে। বালিকার হাসি নিয়া কবিতা লেখে। বালিকার হাসি কি করিয়া ত...